অন্য এক ছেলের সঙ্গে বাগদান জানানো প্রেমিকার কারণে মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হলেন বেঙ্গালুরুর ২৬ বছর বয়সী বডি বিল্ডার
বেঙ্গালুরুর মহালক্ষ্মী লে-আউট এলাকায় গত শনিবার ২৬ বছর বয়সী কিরণ নামের এক বডি বিল্ডার ও জিম ট্রেনার প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জানতে পারা নতুন বাগদানের খবরের পর মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন।
ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, কিরণ গত তিন বছর ধরে একই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। সম্প্রতি ওই তরুণী অন্য একজন যুবকের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান কিরণকে। তখনই কিরণের মনোবস্থার অবনতি ঘটে এবং তিনি ভেঙে পড়েন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রেমিকার বিয়ের খবর শুনে কিরণ মহালক্ষ্মী লে-আউটের নিজ বাড়িতে ফিরে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করেন এবং পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থলে তিনি একটি সুইসাইড নোটও লিখে গেছেন, যেখানে কিরণ উল্লেখ করেছেন যে প্রেমিকা এবং তাঁর মা-এর আচরণের কারণে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
কিরণের পরিবার দাবি করেছে যে প্রেমিকা তাকে নিজের বিয়ের শাড়ি এবং কার্ডও দেখিয়েছিলেন, যা তাঁর মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রেমিকার বাগদানের খবর পাওয়ার পর থেকেই কিরণের মানসিক অবস্থা খারাপ ছিল।
বেঙ্গালুরু পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ নিহতের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।
বেঙ্গালুরুর মহালক্ষ্মী লে-আউট এলাকায় গত শনিবার ২৬ বছর বয়সী কিরণ নামের এক বডি বিল্ডার ও জিম ট্রেনার প্রেমিকার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জানতে পারা নতুন বাগদানের খবরের পর মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন।
ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, কিরণ গত তিন বছর ধরে একই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। সম্প্রতি ওই তরুণী অন্য একজন যুবকের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান কিরণকে। তখনই কিরণের মনোবস্থার অবনতি ঘটে এবং তিনি ভেঙে পড়েন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রেমিকার বিয়ের খবর শুনে কিরণ মহালক্ষ্মী লে-আউটের নিজ বাড়িতে ফিরে এসে ঘরের দরজা বন্ধ করেন এবং পরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থলে তিনি একটি সুইসাইড নোটও লিখে গেছেন, যেখানে কিরণ উল্লেখ করেছেন যে প্রেমিকা এবং তাঁর মা-এর আচরণের কারণে তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
কিরণের পরিবার দাবি করেছে যে প্রেমিকা তাকে নিজের বিয়ের শাড়ি এবং কার্ডও দেখিয়েছিলেন, যা তাঁর মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রেমিকার বাগদানের খবর পাওয়ার পর থেকেই কিরণের মানসিক অবস্থা খারাপ ছিল।
বেঙ্গালুরু পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ নিহতের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।
মিস আনিসা আক্তার :